চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় | চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য

রবি হোসাইন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে চবি) চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় অবস্থিত। এটি ১৯৬৬ সালে স্থাপিত হয়। চবি দেশের তৃতীয় ও আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন পূর্ব সময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্যে পরিচিত হয়ে উঠে। চবির EIIN নাম্বার 136857।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন ১,৭৫৩.৮৮ একর (৭০৯.৭৭ হেক্টর)।

চবির অধীনে বর্তমানে ২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অর্ন্তভূক্ত রয়েছে। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে চট্টগ্রামের সর্ববৃহত গ্রন্থাগার। চট্টগ্রাম শহর থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরত্ব ২২ কিলোমিটার।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আসন সংখ্যা

২০১৯ সালের তথ্যনুসারে, ‘এ’ ইউনিটে আসন রয়েছে ১ হাজার ২১৪টি, ‘বি’ ইউনিটে আসন সংখ্যা ১ হাজার ২২১টি, ‘সি’ ইউনিটে সাধারণ আসন ৪৪২টি ও  ‘ডি’ ইউনিটে আসন সংখ্যা ১ হাজার ১৫৭টি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটসমূহ

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এ ইউনিট

’এ’ ইউনিটে আছে চারটি অনুষদ। এগুলো হলো বিজ্ঞান অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ ও মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বি ইউনিট
‘বি’ ইউনিটে সব গ্রুপের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারে। এতে বিভাগ রয়েছে মোট ১৩টি। তবে সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলা বিভাগে পড়াশোনা করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আলাদা করে বি১ উপ-ইউনিটে পরীক্ষা দিতে হবে।
এই অনুষদের আইএমএল ইনস্টিটিউটে সাতটি ভাষার উপর সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা কোর্স রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ফ্রেঞ্চ, জার্মান ও চাইনীজ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সি ইউনিট
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটে মোট বিভাগ রয়েছে ছয়টি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডি ইউনিট
সব গ্রুপের শিক্ষার্থীরাই ‘ডি’ ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারবেন। এখানে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের নয়টি (সাংবাদিকতাসহ) বিভাগ, আইন অনুষদের অধীনে থাকা আইন বিভাগ, ব্যবসায় প্রশাসনের অনুষদের সব বিভাগ, জীববিজ্ঞান অনুষদের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগ রয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষা অনুষদভুক্ত ডি১ উপ-ইউনিটে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে পরীক্ষা দিতে হবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট এখানে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন

চট্টগ্রাম শহর থেকে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ১০টি বগি বিশিষ্ট দুইটি শাটল ট্রেনের ব্যবস্থা রয়েছে। ১৯৮০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের একমাত্র বাহন হিসেবে শাটল ট্রেনের প্রথম যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে ডেমু ট্রেনও যুক্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য প্রাক্তনী

জামাল নজরুল ইসলাম – পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ, বিশ্বতত্ত্ববিদ।
আলাউদ্দিন আল আজাদ – ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, নাট্যকার, গবেষক।
আনিসুজ্জামান – শিক্ষাবিদ ও লেখক। প্রাক্তন অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ।
মুহাম্মদ ইউনূস – অর্থনীতিবিদ, ২০০৬ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
সৈয়দ আলী আহসান – জাতীয় অধ্যাপক
আবু হেনা মোস্তফা কামাল – শিক্ষাবিদ, কবি এবং লেখক।
দেবদাস চক্রবর্তী – চিত্রশিল্পী
ময়ুখ চৌধুরী – কবি, গবেষক, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আবুল ফজল – সাহিত্যিক, প্রাক্তন অধ্যাপক।
আলমগির মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন- ইতিহাসবিদ, শিক্ষাবিদ, সাবেক উপাচার্য
মুর্তজা বশীর – চিত্রশিল্পী
ঢালী আল মামুন – চিত্রশিল্পী
মইনুল ইসলাম, একুশে পদক বিজয়ী অর্থনীতিবিদ।
তোফায়েল আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ।
আবুল মোমেন – একুশে পদক বিজয়ী সাহিত্যিক, কলামিস্ট।
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী (আর আই চৌধুরী)- বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, সাবেক উপাচার্য
আহমদ শরীফ – সাহিত্যক, প্রাক্তন অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ।
আবদুল হাকিম, গবেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ইউজিসি প্রফেসর
ভূইয়া মো. মনোয়ার কবির- বিশিষ্ট পররাষ্ট্র ও সীমান্ত সমস্যা গবেষক, রাষ্টবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, প্রতিষ্ঠাতা: সেন্টার ফর এশিয়ান স্টাডিজ
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা – বাংলাদেশী কবি, সাহিত্যিক ও ভাষাবিজ্ঞানী।
মোহাম্মদ হানিফ সিদ্দিকী – সহযোগী অধ্যাপক, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।[১]
অনুপম সেন – সমাজবিজ্ঞানী, লেখক এবং দার্শনিক[২]
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ – ভাস্কর, অপরাজেয় বাংলার নির্মাতা।[৩]
হুমায়ুন আজাদ (১৯৪৭-২০০৪) – কবি, ঔপন্যাসিক, সমালোচক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী; প্রাক্তন অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ।
এমএ আজিজ খান, উদ্ভিদ বিজ্ঞানী, সাবেক উপাচার্য।
সত্যজিৎ কুমার ভদ্র, উদ্ভিদ বিজ্ঞানী।
মোস্তফা কামাল পাশা, উদ্ভিদ বিজ্ঞানী।
বিকিরণ প্রাসাদ বড়ুয়া, একুুুশে পদকজয়ী পদার্থবিদ।
হামিদা বানু, পদার্থবিদ, সাবেক পিএসসি সদস্য।
মনসুর উল করিম, একুশে পদকজয়ী চিত্রশিল্পী।
অলোক রায়, কাঠ খোদাই শিল্পী।
প্রফেসর মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার -শিক্ষাবিদ ও লেখক। অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ।[৪]
প্রফেসর ড.মোহাম্মদ আলী আজাদী,প্রাণিবিজ্ঞানী
মনজুরুল কিবরিয়া, হালদা নদী গবেষক
প্রফেসর ড. শাহ আলম, ল কমিশনের সদস্য
প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ আল ফারুক, পরিবেশ আইন বিশেষজ্ঞ
সশস্ত্র বাহিনী
আজিজ আহমেদ, সেনাপ্রধান[৫]
আবুল হোসেন (জেনারেল) বিজিবি প্রধান
চৌধুরী মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন, মহাপরিচালক, র্যাব। সমাজতত্ত্বের ছাত্র। জন্ম- সুনামগঞ্জ।
ফণিভূষণ চৌধুরী, সাবেক সচিব, পুলিশ সমন্বয়ক, পিএসসি সদস্য। পদার্থ বিজ্ঞানের ছাত্র। জন্ম- ছাতক, সুনামগঞ্জ।
কাজী শরীফ কায়কোবাদ বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষার মহাপরিচালক
সরকার ও প্রশাসন
আলী ইমাম মজুমদার, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব, গণিত বিভাগের ছাত্র।
শফিউল আলম , মন্ত্রিপরিষদ সচিব[৬]
ড. আহমদ কায়কাউস, মুখ্য সচিব। অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র।
ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, লেখক, সাবেক সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়। তিনি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। জন্ম – রাউজান, চট্টগ্রাম।
মাফরুহা সুলতানা মেরী, সাবেক সচিব, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ। তিনি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। জন্ম- রামু, কক্সবাজার।
মোমিনুর রশিদ আমিন,অতিরিক্ত সচিব,শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
ফজলে কবির, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
আনিসুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র
মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক
মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, নির্বাচন কমিশনার
মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী, দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক[৭]
আনোয়ারুল ইকবাল – বাংলাদেশের ২০০৭-২০০৯ তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা।
অশোক মাধব রায়, সাবেক সচিব, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র।
ফিরোজ সালাউদ্দিন, সাবেক সচিব, রেলপথ মন্ত্রণালয়। উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র।
এন. এম. জিয়াউল আলম, সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। উদ্ভিদ বিজ্ঞানের ছাত্র।
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী – বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি)।
মোস্তফা কামাল উদ্দিন , সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
হেলালুদ্দীন আহমদ , সচিব, স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
রাজিয়া বেগম, বাংলাদেশের প্রথম নারী জেলা প্রশাসক
শ্যামসুন্দর শিকদার, সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগ
ফরিদ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী , সিনিয়র সচিব, সেবা ও সুরক্ষা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সম্পদ বড়ুয়া, সচিব, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়
আব্দুল করিম সাবেক মুখ্য সচিব
রাজনীতি
হাছান মাহমুদ , তথ্যমন্ত্রী
এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সাবেক মেয়র
আব্দুস শহীদ, সাবেক চীফ হুইপ
মোঃ তাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রি
মাহমুদুর রহমান মান্না
আব্দুল্লাহ আল নোমান
ধর্ম
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন – আন্তর্জাতিক ইসলামি স্কলার
ড. আ ক ম আব্দুল কাদের – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামিক স্কলার, পন্ডিত ও প্রাবন্ধিক
ড. মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার – ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ এর শরীয়া বোর্ডের চেয়ারম্যান
বিচার ব্যবস্থা
সুরেন্দ্র কুমার সিনহা , বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং ২১-তম প্রধান বিচারপতি
বিচারপতি ঈমান আলী, আপিল বিভাগ
বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, আপিল বিভাগ
বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, হাইকোর্ট বিভাগ
বিচারপতি মোঃ হাবিবুল গণি, হাইকোর্ট বিভাগ
বিচারপতি বোরহানউদ্দিন, হাইকোর্ট বিভাগ
মানবাধিকারকর্মী এ্যাডভোকেট রানা দাসগুপ্ত, পদার্থ বিজ্ঞানের ছাত্র।
লেখক
প্রত্যয় জসীম কবি, কথাশিল্পী, সব্যসাচী লেখক
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
আসাদ মান্নান
হরিশংকর জলদাস
প্রবীর বিকাশ সরকার
ময়ুখ চৌধুরী
আলতাফ হোসেন
আহমেদ মাওলা
ওমর কায়সার
মহীবুল আজিজ
দানিউল হক
হাফিজ রশীদ খান
রাজীব নুর
খালেদ হামিদী
জাকির জাফরান
শেলী নাজ
মিনার মনসুর
মাহবুবুল হক
সেলিম জাহাঙ্গীর
শাহাবুদ্দিন নাগরী
রণদীপম বসু
রাশেদ রউফ
চিত্রশিল্পী
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ ,ভাস্কর, অপরাজেয় বাংলার নির্মাতা[৯]
ঢালী আল মামুন চিত্রশিল্পী[১০]
মনসুর উল করিম
উত্তম সেন (একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী)
রাজীব দত্ত
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
শাহীনুুর রহমান
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
উত্তম গুহ
অলক রায়
মহিউদ্দিন ফারুক
উদ্যোগ
মুহাম্মাদ আব্দুল বারি , লন্ডনের ইস্ট লন্ডন মসজিদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং “মুসলিম কাউন্সিল অফ ব্রিটেন” এর প্রাক্তন সেক্রেটারী জেনারেল
আল আমীন – অধ্যাপক, বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট[১১]
বিদ্যাচর্চা
সাজীদ আলী হাওলাদার, সবচেয়ে কম বয়সে ব্যাঙের নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করে বিশ্বস্বীকৃতি পাওয়া বিজ্ঞানী
সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী, পাঠ্যবই লেখক, প্রাক্তন অধ্যাপক ও সভাপতি, রসায়ন বিভাগ[১২]
সংগীত
পার্থ বড়ুয়া , সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেতা
নকীব খান , রেঁনেসা ব্যান্ড
বাপ্পা মজুমদার , দলছুট
এস.আই.টুটুল, সঙ্গীত শিল্পী
মোশারফ হোসেন শরিফ, ইসলামী সঙ্গীত শিল্পী
চন্দন সিনহা
আইয়ুব বাচ্চু
কুমার বিশ্বজিৎ
সুজিত মোস্তফা
নাসিম আলী খান
ক্রীড়া
মাহফুজা খাতুন শিলা, এসএ গেমসে স্বর্ণপদক বিজয়ী ক্রীড়াবিদ
অভিনয়
মাসুম আজিজ
চিত্রলেখা গুহ
ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর
হাসান মাসুদ
সোহেল খান ,নাট্য অভিনেতা
জিয়াউল হাসান কিসলু
পার্থ বড়ুয়া

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
x
Close